• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ; ২৯ ফেরুয়ারী, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

Advertise your products here

Advertise your products here

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর বিবাহ বিচ্ছেদ


Newsofdhaka24.com ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ০৩ আগষ্ট, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০২:২২ পিএম
কানাডা প্রধানমন্ত্রী,

জাস্টিন ট্রুডো, কানাডার প্রধানমন্ত্রী। বয়স ৫১ বছর। ১৮ বছর আগে ২০০৫ সালের ২৮ মে তিনি বিয়ে করেন সোফি গ্রেগোয়ারকে, যার বর্তমান বয়স ৪৮ বছর। দীর্ঘ এই দাম্পত্যজীবনে তিন সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন তারা। বড় সন্তানের বয়স ১৫ বছর। দ্বিতীয়জনের ১৪ বছর এবং তৃতীয়জনের বয়স নয় বছর।

আচমকাই দেড়যুগের এই সংসার জীবনের ইতি ঘোষণা করেছেন এই দম্পতি। তাদের বিচ্ছেদের অপ্রত্যাশিত ঘোষণাটি অনেককেই বিস্মিত করেছে।

 

ট্রুডো বুধবার তার ইনস্টাগ্রামে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। সোফিও তার ইনস্টাগ্রামে দিয়েছেন একই ঘোষণা। 

আগে থেকেই নানা কারণে আলোচিত ট্রুডো-সোফি দম্পতি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ট্রুডোর সফলতা জনপ্রিয়তা, সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের সরলতার কারণে সারা বছরই গণমাধ্যমের শিরোনামে থাকেন তিনি। তাদের দাম্পত্যজীবনও অনেকের কাছেই ঈর্ষণীয় ছিল। তা নিয়ে হরদম চর্চাও লক্ষ করা গেছে। বিচ্ছেদের ঘোষণার পর নতুন করে আলোচনায় এই জুটি। এই আলোচনায় ট্রুডো-সোফির পরিচয়, প্রেম, বিয়ের প্রসঙ্গেও ঘুরে-ফিরে আসছে। 

ট্রুডো-সোফির পরিচয়, প্রেম, বিয়ে নিয়ে আগেও অনেক প্রতিবেদন হয়েছে। নিয়ে ২০১৯ সালে একটি প্রতিবেদন করেছিল কানাডার অনলাইন সংবাদমাধ্যম নার্সিটি 

নার্সিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোফির সঙ্গে ট্রুডোর পরিচয়-প্রেম-বিয়ের গল্পটি ছিল অসাধারণ। তারা পরস্পরকে ছোটবেলা থেকেই চিনত, জানত। কারণ, সোফি ছিলেন ট্রুডোর ছোট ভাই মিশেলের সহপাঠী। এমনকি ছোটবেলায় ট্রুডোদের বাড়িতে সোফি আসা-যাওয়া করতেন, আড্ডা দিতেন।

তবে ট্রুডো-সোফি সত্যিকার অর্থে পরস্পরকে জানেন-বোঝেন উভয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর।

২০০৩ সালে ট্রুডো সোফি একসঙ্গে একটি তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সে সময় তারা একে অপরের সঙ্গে নতুন করে পরিচিত হন। তখন তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

কিছুদিন পর ট্রুডোকে ইমেইল করেন সোফি। ইমেইলে সোফি লিখেন, ট্রুডোর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাতের ব্যাপারটি তিনি উপভোগ করেছেন। কিন্তু সোফির এই ইমেইলের কোনও জবাব দেননি ট্রুডো।

একই বছরের গ্রীষ্মের শেষ দিকে সড়কে ট্রুডো-সোফির দেখা হয়ে যায়। এই দেখায় ট্রুডোকে উপেক্ষা করতে চেয়েছিলেন সোফি। তবে এবার সোফিকে ট্রুডো তার সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার প্রস্তাব দেন।

সোফি তখন বলেছিলেন, ট্রুডোর যদি সত্যিই তার (সোফি) সঙ্গে বাইরে ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছা থাকে, তবে তিনি যেন তাকে (সোফি) সেই ইমেইলে জবাব দেন।

প্রথম সেই ডেটে সোফিকে ট্রুডো বলেছিলেন, তিনি তার বাকি জীবন সোফির সঙ্গে কাটাতে চান।

ট্রুডো জানিয়েছিলেন, Newsofdhaka24.com / News

আর্ন্তজাতিক বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ